ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ ও প্রতিকার

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সময় মতো সঠিক চিকিৎসা না হলে মৃত্যু হতে পারে। আর এজন্য ডেঙ্গু নিয়ে সকলের মধ্যে আতঙ্ক কাজ করছে। দুই বছর আগে চিকুনগুনিয়ার প্রাদুর্ভাব ব্যাপকভাবে দেখা দিলেও এখন আর তেমন চোখে পড়ছে না। তাহলে চলুন জেনে নেই-

ডেঙ্গু জ্বর

ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ ও প্রতিকার

গেল কয়েক বছরের মতো ডায়রিয়া কিংবা গলা ব্যথার মতো ব্যতিক্রম কিছু লক্ষণ নিয়ে হাজির হচ্ছে ডেঙ্গু জ্বর। তাই ডেঙ্গুর লক্ষণ নিয়ে আমেদের আগেই সচেতন হওয়া জরুরি। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার শুরুর দিন থেকেই তীব্র জ্বর, ভীষণ মাথাধরা, চোখের পেছন ব্যথা, শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্যথা, শরীরের ত্বক লাল হওয়া প্রভৃতি লক্ষণ দেখা দিতে পারে। অনেকক্ষেত্রে চামড়ায় দানার মতো হতে পারে। অনেকের বমি হতে পারে।

ভারতে অবস্থানের আরও এক বছর অনুমতি পেল তসলিমা নাসরিন

একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, এই সিজনে জ্বর হলেই ডেঙ্গু ভাবা ঠিক নয়। এরকম লক্ষণ অন্য জ্বরেও দেখা দিতে পারে। বিভিন্ন ভাইরাস জ্বর ছাড়াও পানিবাহিত টাইফয়েড জ্বর নিয়েও সচেতন থাকতে হবে।

তবে মনে রাখা উচিত, এ সময়ের জ্বর মানেই কেবল ডেঙ্গু নয়। কাছাকাছি ধরনের লক্ষণ নিয়ে অন্যান্য জ্বরও দেখা দিচ্ছে। অন্যান্য ভাইরাস জ্বর ছাড়াও পানিবাহিত টাইফয়েড জ্বরও হচ্ছে। তাই জ্বরে আক্রান্ত হলে উপসর্গ দেখে ডাক্তারের পরামর্শ নিন এবং প্রয়োজনীয় মেডিকেল টেস্ট করিয়ে রোগ সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে চিকিৎসা নিন।

ইরানে মার্কিন দূতাবাসে ৫২ জিম্মি উদ্ধারে ব্যর্থ অভিযান

জ্বর হলে ভীত হবেন না। যেকোন সাধারণ ভাইরাসজনিত জ্বর এমনিতেই সেরে যাবে। জ্বর হলে পরিমিত পানি পান করবেন। শরীর নিয়মিত স্পঞ্জ করুন। পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং মাথায় পানি দিবেন। জ্বর নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাধারণ প্যারাসিটামল সেবন করলেই হবে। অন্য কোন ওষুধ সেবনের প্রয়োজন নেই।

আর শুরু থেকেই জ্বর বেশি মনে হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন। কিংবা বাড়িতে ৩ দিন অপেক্ষা করুন। জ্বর না সারলে এবং জটিল মনে হলে সময় নষ্ট না করে দ্রুত ডাক্তারের কাছে যান। আর অবশ্যই ফার্মেসী থেকে নিজে কোন অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ কিনে খাবেন না। এতে পরিস্থিতি বিপরীত আকার ধারণ করতে পারে।

আয়রনম্যান আরাফাতের গল্প

অন্যদিকে, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে রক্তের অনুচক্রিকা ভয়ানক মাত্রায় কমে যেতে পারে। এতে জটিল পরিস্থিতি তৈরি হবে। রক্তের অনুচক্রিকার সংখ্যা কমলে দাঁত, চামড়ার নিচে এবং নাক প্রভৃতি অঙ্গে রক্তক্ষরণ ঝুঁকি দেখা দেয়। এতে আরও বিপজ্জনকভাবে রক্তপাত দেখা দিতে পারে। তবে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে অথবা রক্তে অনুচক্রিকার পরিমাণ কমলে রোগীকে প্লাটিলেট দিতে হবে, এরকম ধারণা সবসময় সঠিক নয়। ডেঙ্গু জ্বরে হাসপাতালে ভর্তি এবং শিরায় স্যালাইন দেওয়ারও সব সময় প্রয়োজন হয় না। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর পরিস্থিতি বিবেচনা ডাক্তার ব্যবস্থা নিবেন। সবার জন্য চিকিৎসা পদ্ধতি একরকম নাও হতে পারে।

বিশ্বের সংবাদদেশের সংবাদ, আর রাজনীতি, অর্থনীতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিফিচারবিনোদন আর খেলাধুলার সর্বশেষ বাংলা সংবাদ পড়তে লাইক করুন প্রবাসী টিভি’র Facebook পেজ আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube Channel.

Related Posts